Ticker

6/recent/ticker-posts

We bring you the best Premium Blogger Themes that perfect for news, magazine, personal blog, etc.
ads header

Looking For Anything Specific?

ads header

Facebook

Wishlist & Checkout page is available for premium users Buy Now
Posts

এখন বাংলাদেশের অনেক জায়গায়তেই চাষ সম্ভব পিচ ফলের

এখন বাংলাদেশের অনেক জায়গায়তেই চাষ সম্ভব পিচ ফলের
Color :
Size :

 পিচ গাছ মাঝারি আকারের বৃক্ষ, পাতা অনেকটা ডালিম বা শরিফা পাতার মতো দেখতে। পাতার গোড়ায় অনেক ছোট ছোট পাতা থাকে। ফুলের রঙ লাল বা গোলাপি। ফল দেখতে ডিম্বাকার তবে মুখটা আমের মতো বাকানো ও সুচালো। কাঁচা ফলের রঙ সবুজ পাকলে হালকা হলুদের ওপর লাল আভা সৃষ্টি হয়। কাঁচা ফল শক্ত, খোসা খসখসে। কিন্তু পাকলে নরম হয়ে যায় ও টিপ দিলে সহজে ভেঙে যায়। পাকা ফলের রসালো শাঁস হালকা হলুদ ও ভেতরের দিকে লাল, শাঁসের স্বাদ টক। ফলের মধ্যে খয়েরি রঙের একটা শক্ত বিচি থাকে। পিচ ফল পাকে মে - জুন মাসে। এক কেজি ফল থেকে প্রায় ৪৭০ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।


পুষ্টি উপাদান
পিচ মানেই নানা পুষ্টি উপাদানে ভরপুর এক ফল। ভিটামিন ‘এ’, বেটা-ক্যারোটিন আর ভিটামিন ‘সি’র (অ্যাসকর্বিক এসিড) শক্তিশালী উৎস এটি। আরো আছে ভিটামিন ‘ই’ (আলফা-টকোফেরল), ভিটামিন ‘কে’ (ফাইলোকুইনান), থিয়ামিন, রিবোফ্ল্যাভিন, নিয়াসিন, ভিটামিন বি-৬, ফোলেট আর প্যান্টোথেনিক এসিড। এসবের সঙ্গে ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, ফরফরাস, জিংক আর কপারের মতো খনিজও মিলবে। তাই ইফতারে চোখ বন্ধ করে এই ফল রাখতে পারেন।
অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট
পিচের ত্বক বা ভেতরের মাংসল অংশে রয়েছে পর্যাপ্ত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এদের রক্ষায় আবার ক্লোরোজেনিক এসিডও আছে এই ফলে। অক্সিজেন গ্রহণের সঙ্গে দেহে আসা বিষাক্ত উপাদানগুলো সামলে নিতে রয়েছে লুটেইন, জিয়াজানথিন আর বেটা-ক্রাইটোজানথিনের মতো অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।
হাইপোক্যালেমিয়া
দেহের স্নায়বিক আর কোষের কার্যক্রম ঠিকঠাকমতো চলতে দরকার পটাসিয়াম। পিচে এই উপাদানের কমতি নেই। কাজেই সুষ্ঠু বিপাকক্রিয়া, কার্বোহাইড্রেটের যথাযথ ব্যবহার, ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য রক্ষা এবং পেশির টিস্যুর দেখভালে পিচ ভূমিকা রাখে।
ক্যান্সার
এই ফলের ফেনোলিক আর ক্যারোটেনয়েড উপাদান রয়েছে। এগুলো টিউমার ও ক্যান্সার প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে। স্তন, ফুসফুস, কোলন ক্যান্সারসহ আরো কয়েক ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধে কাজ করে পিচ।
ত্বক
ভিটামিন ‘সি’ থাকায় ত্বক উজ্জ্বল করে এই ফল। দেহের বিষাক্ত উপদানগুলো বের করে দিতেও খুবই কাজের এই ভিটামিন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতি থেকে ত্বককে সুরক্ষা দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত ত্বক পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করে পিচের জিয়াজানথিন আর লুটেইন।
গর্ভাবস্থা
হবু মায়ের স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে পিচ খুবই উপকারী। শিশুর হাড়, দাঁত, ত্বক, পেশি আর রক্তবাহী শিরা-উপশিরার স্বাস্থ্যকর গঠনে ভূমিকা রাখে ভিটামিন ‘সি’। দেহকে আয়রন শুষে নিতে সহায়তা করে পিচ। আর তা গর্ভাবস্থায় খুবই জরুরি। এর পটাসিয়াম পেশির অনাকাঙ্ক্ষিত সংকোচন প্রতিরোধ করে।
স্নায়ুতন্ত্র
পিচের ম্যাগনেসিয়াম আপনার মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা প্রশমিত করতে পারে। এই খনিজ দেহের স্নায়বিক ব্যবস্থাকে স্থিত রাখে। ম্যাগনেসিয়ামের অভাব কেন্দ্রীয় স্নায়বিক ব্যবস্থাকে এলোমেলো করে দেয়। পেশি ও স্নায়ুতে অস্থির অবস্থা বিরাজ করে।
রোজ পিচ খাওয়ার উপকারিতা!
বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিচ ফল দেখতে যেমন ভাল, শরীরের পক্ষেও তেমনই উপকারী। আবার রূপচর্চায় পিচের গুণের কথাও কারও অজানা নয়। স্বাস্থ্য ভাল রাখতে যে কোনো ফলের পাশাপাশি পিচ রাখতে পারেন ডায়েটে। তার আগে আসুন জেনে নেয়া যাক রোজ পিচ খাওয়ার ৫ উপকারিতা।
চোখ: পিচ বিটা ক্যারোটিনে ভরপুর। যা দৃষ্টিশক্তি ভাল রাখার অন্যতম উপাদান।
ওজন: একটা পিচের মধ্যে ৬৮ ক্যালরি থাকার পাশাপাশি ফ্যাটের পরিমাণ শূন্য। তাই প্রতি দিন ডায়েটে পিচ রাখলে তা ওজন কমাতেও সাহায্য করে


ক্যানসার: প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকার কারণে অনেক ক্রনিক সমস্যা ও ক্যানসারের প্রকোপ দূরে রাখতে পারে পিচ।
কিডনি: পিচের মধ্যে থাকা পটাশিয়াম কিডনি ও ব্লাডার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।
ত্বক: প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকার কারণে ত্বকের ডার্ক সার্কল ও বলিরেখা দূর করতে সাহায্য করে পিচ। 

Post a Comment

Message via WhatsApp

Send instant messages & product details through Whatsapp.

Money Back

If goods have problem we'll return your good.

24/7 Support

Our dedicated support is available to help you.